News Archive

সৌদি আরবে ঈদুল আজহা ২১ আগষ্ট (২০১৮) অনুষ্ঠিত হবে। আর বাংলাদেশে ২২ আগষ্ট।

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ২২ আগস্ট, বুধবার দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। রবিবার বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। হিজরি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা ঈদুল আজহা পালন করেন।

সভায় ধর্মমন্ত্রী জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র, দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী রবিবার বাংলাদেশের আকাশে হিজরি ১৪৩৯ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সোমবার ( ১৩ আগস্ট) থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। ২২ আগস্ট (১০ জিলহজ) বুধবার দেশে ঈদুল আজহা পালিত হবে।

এদিকে, গত শনিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ২১ আগস্ট ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ২০ আগস্ট আরাফার দিন।

ঈদুল ফিতরের পর ঈদুল আজহা মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এ উৎসবে মুসলমানরা তাদের প্রিয় বস্তু মহান আল্লাহর নামে উৎসর্গ করে তার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ই লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হজব্রত পালন অবস্থায় থাকেন। হাজিরা ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেন।

মূলত, জিলহজ্ব মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখের যে কোন একদিন কোরবানি করা যায়। গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা এ শ্রেণির প্রাণী দ্বারা কোরবানি করা যায়। কোরবানিকৃত পশুর ৩ ভাগের ১ ভাগ গরীব-মিসকিন, একভাগ আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বিলিয়ে দিতে হয়। আবার পুরোটাই বিলিয়ে দেয়া যায়। এদিকে ৯ জিলহজ ফযর নামাযের পর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর তাকবিরে তালবিয়া পাঠ করা ওয়াজিব। তালবিয়াহ হলো, ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।’ এবার ঈদে ২১, ২২ ও ২৩ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকবে।

ইত্তেফাক/এমআই


সৌদি আরবে ঈদুল আজহা ১২ সেপ্টেম্বর (২০১৬) অনুষ্ঠিত হবে

Image not found

সৌদি আরবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সেখনে পবিত্র ঈদুল আজহা ১২ সেপ্টেম্বর পালিত হবে। বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্টের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ মাধ্যমগুলো।
সৌদি আরবে জিলহাজ মাসের প্রথমদিন নির্ধারণ হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর।


এদিকে বাংলাদেশে শুক্রুবার চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের পরই জানা যাবে, কবে ঈদ হচ্ছে বাংলাদেশে।


ভূমিকম্পে নিহত কমপক্ষে ২৮০

Image not found

সূত্র- ২৭ অক্টোবর ২০১৫, মঙ্গলবার, মানব জমিন।
হঠাৎ প্রচন্ড বেগে কেঁপে উঠলো দক্ষিণ এশিয়া। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত সহ এ কম্পন অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশেও। কিরগিজস্তানেও এ কম্পন অনুভূত হয়। প্রথম তিনটি দেশের পরেই সেখানকার কম্পন তীব্র ছিল। রিকটার স্কেলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে তটস্থ হয়ে মানুষজন ঘরবাড়ি, অফিস ছেড়ে খোলা প্রান্তরে বেরিয়ে এসেছে পাকিস্তান, ভারত ও আফগানিস্তানে। ভূমিকম্পে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৮০ জন। এর মধ্যে পাকিস্তানে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০০ জন। আফগানিস্তানের খামা প্রেসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেখানে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৮০ জন। এর মধ্যে একটি স্কুলে তাড়াহুড়ো করে বেরুতে গিয়ে পদদলিত হয়ে নিহত হয়েছে ১২ ছাত্রী। ভূমিকম্পের সময় কাবুলে আরিয়ান টিভিতে সরাসরি সংবাদ প্রচার হচ্ছিল। ঘটনার ভয়াবহতার সময় সংবাদ উপস্থাপক সংবাদ পাঠ করা ছেড়ে আতঙ্কে পালিয়ে যান। ভয়াবহ এ ভূমিকম্পে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পে আহতের সংখ্যা হাজার হাজার। তবে দুপুরের দিকে ওই ভূমিকম্পের পরে আসা কোন রিপোর্টেই নিহত বা আহতের সংখ্যা সুনির্দিষ্ট নয়। স্থানীয় মিডিয়াগুলো বলছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, অনেক দুর্গম এলাকায় যাওয়া সম্ভব হয় নি গতকাল। অনেক রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই এলাকায় যাওয়া দুরূহ হয়ে পড়ছে। এ ঘটনায় ধসে পড়েছে অনেক দালান। এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতে ভূপৃষ্ঠ থেকে ২১৩ কিলোমিটার গভীরে। নিহত হয়েছেন পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকা, বাজাউর এজেন্সি, কল্লার কাহার, সারগোধা, কাসুরে। রাজধানী ইসলামাবাদ ও পেশোয়ারের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এখানে সেখানে ভবন, দেয়াল ভেঙে পড়ে আছে। ভারতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে রাজধানী নয়াদিল্লি, কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবে। পাকিস্তানের করাচি, লাহোর, ইসলামাবাদ, রাওয়ালপি-ি, পেশোয়ার, কোয়েটা, কোহাট ও মালাকান্ড শহরে তীব্র ঝাঁকুনি দিয়েছে ভূমিকম্প। পাঞ্জাবে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। সেখানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। অনলাইন ডনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রথম দফায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের ৪০ মিনিট পরেই ফের ৪ দশমিক ৮ মাত্রার একটি কম্পন ফের আঘাত হানে। ভূমিকম্পের আঘাতে সোয়াত উপত্যকায় একটি শিশুসহ নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ছয় জন। উপজাতি অধ্যুষিত বাজাউর এলাকায় নিহত হয়েছেন চার জন। কল্লার কাহার এলাকায় নিহত হয়েছে ৮ বছর বয়সী একটি শিশু। কাসুরে ছাদ ধসে নিহত হয়েছেন একজন। আজাদ কাশ্মীরের ইসলামগড়ে নিহত হয়েছে ১৪ বছর বয়সী একটি বালক। সারগোদায় একটি দেয়াল ধসে নিহত হয়েছেন এক নারী। সেখানে আহত হয়েছেন ১০ জন। খাইবার পখতুনখাওয়ায় আহত হয়েছেন ৩ জন। চিত্রলে নিহত হয়েছেন ৫ জন। রাওয়ালপিন্ডির রাজাবাজার এলাকায় ছাদ ধসে নিহত হয়েছে একটি শিশু। আহত কমপক্ষে ১৯৪ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে নেয়া হয়েছে সোয়াতের সাইদু শরীফ টিচিং হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা সরঞ্জামের রয়েছে অপর্যাপ্ততা। শতাধিক আহত ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়েছে পেশোয়ারের লেডি রির্ডি হাসপাতালে। পাঞ্জাবের উদ্ধারবিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ড. আশরাফ জিয়া বলেছেন, সেখানে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ওদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ কেন্দ্রীয়, বেসামরিক, সামরিক, প্রাদেশিক সব বিভাগকে অবিলম্বে সতর্ক হতে বলেছেন। সব জনবল, সম্পদ ব্যবহার করে পাকিস্তানের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আইএসপিআর অনুযায়ী, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল রাহিল শরীফ সেনাবাহিনীকে কোন নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে জরুরি উদ্ধার তৎপরতায় নেমে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইসলামাবাদের অ্যাবোটাবাদের বাসিন্দা শোয়েব বলেছেন, ভূমিকম্পের ফলে সেখানে ভূমিধস হয়েছে। ওদিকে ভারতের এনডিটিভি জানায়, শক্তিশালী ওই ভূমিকম্প স্থানীয় সময় বিকাল আড়াইটায় উত্তর ভারতে আঘাত হানে। তীব্র সেই কম্পন এক মিনিট স্থায়ী হয় দিল্লি, কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও পাঞ্জাব রাজ্যে। এ সময় দিল্লিতে মেট্রো চলাচল থেমে যায়, যদিও বিমানবন্দরে স্বাভাবিক কাজকর্ম চলতে থাকে। দিল্লি মেট্রোর মুখপাত্র অনুজ দয়াল বলেন, ভূমিকম্পের সময় ১৯০টি মেট্রো রেলের সবগুলোই বন্ধ করে রাখা হয়। কম্পন শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে শুরু হয়েছে অপারেশন। কাশ্মীর অঞ্চলে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যায়। এ ঘটনার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় বলেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে ভূমিকম্পের কথা শুনেছি। এ কম্পন অনুভূত হয়েছে ভারতেরও অনেক অংশে। আমি সবার নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি। এ সময় মোদি নির্বাচনী প্রচারণায় অবস্থান করছিলেন বিহারে। ছত্তিশগড়ের এক ব্যক্তি বলেছেন, আমরা যখন বাইরে বেরিয়ে পড়ি তখন দেখতে পাই গাড়িগুলো সমুদ্রের পানির মতো দুলছে। শ্রীনগরে মোবাইল ফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে লাল চক ফ্লাইওভার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আফগানিস্তান থেকে পাওয়া রিপোর্টে বলা হচ্ছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আফগানিস্তানের খামা প্রেস জানিয়েছে, সেখানে কমপক্ষে ৮০ জন নিহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের সময় রাজধানী কাবুল দুলতে থাকে। রাস্তায় গাড়ি চলাচল থেমে যায়। এ সময় গাড়ি থেকে লাফিয়ে নেমে ফাঁকা স্থানে দাঁড়ান যাত্রীরা। ভূমিকম্পের সময় আফগানিস্তানের তাখার প্রদেশে একটি স্কুলে পদদলিত হয়ে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১২ ছাত্রী। তাখার শিক্ষা বিভাগের প্রধান এনায়েত নাবিদ বলেছেন, তালুকান শহরের ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা হুড়মুড় করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এ পদদলনের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছে আরও কমপক্ষে ৩৫ জন। কাবুলের পাশের শহর গজনীতে একটি ঐতিহাসিব গেট ভেঙে গেছে। এ দেশটির পাহাড়ি প্রত্যন্ত এলাকার বিস্তারিত খবর এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। তাই কেউ বলতে পারছেন না সেখানে কি ঘটেছে। বাদাখশান প্রদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা পৌঁছাতে পারেন নি জুরাম জেলায়। কারণ, সেখানে তালেবানদের উপস্থিতি রয়েছে। অন্যদিকে নারিস্তান ও গজনিতে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এ বিষয়ে কোন কর্মকর্তা তথ্য দিতে পারেন নি। এ নিয়ে প্রাথমিক রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ৭ দশমিক ৭। পরে তা ৭ দশমিক ৬, তারপর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার বলে বলা হয়। তবে ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের ভূকম্পনবিষয়ক পরিচালক বিনীত গাহলোচ বলেন, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা। অন্যদিকে পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ১। ভূমিকম্পের পর পাকিস্তানকে সহায়তা দিতে ভারত তার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। গতকাল এ কথা জানিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে ফোন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সহায়তা দিতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

হাজিদের ১৫ই মহররমের মধ্যে সৌদি আরব ছাড়তে হবে

Image not found

সূত্র- ২৭ অক্টোবর ২০১৫, মানবজমিন।
সৌদি আরবে হজ পালন করতে যাওয়া ব্যক্তিদের নিজ নিজ দেশে ফেরার সর্বশেষ সময় ১৫ই মহররম নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ। সৌদি আরব ছাড়তে বিলম্ব হলে সেক্ষেত্রে যদি হজ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাদের ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। রোববার স্থানীয় গণমাধ্যম সৌদি আরবের অভিবাসনবিষয়ক ডিরেক্টরেট জেনারেলের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ভিসার অতিরিক্ত সময় অবস্থানকারী হাজিদের সংখ্যার ভিত্তিতে জরিমানার সংখ্যা বাড়বে। এছাড়া এমন হাজিদের বিরুদ্ধেও যথাযথ পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ডিরেক্টরেট। এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ। হজসেবাদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে। আর কোন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যদি বার বার নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে সেক্ষেত্রে শাস্তি আরও কঠোর হবে বলে সতর্ক করে দেয়া হয়। এদিকে, ইতিমধ্যে হজ পালন শেষে মদিনা পরিদর্শন করে বিপুল সংখ্যক মানুষ নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। সৌদি আরবের হজ মন্ত্রণালয়ের মদিনা কার্যালয়ের রেকর্ড অনুযায়ী, আকাশ ও স্থলপথে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ২৫ হাজার ৪৮৩ জন হাজি দেশে ফিরে গেছেন

মিনা ট্রাজেডি- সর্বশেষ মৃতের সংখ্যা- ২১৭৭ জন হাজি।

সূত্র- ২১ অক্টোবর ২০১৫, বুধবার, মানবজমিন ডেক্স।

গত মাসে সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যাওয়া হাজিদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৭৭-এ। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। বড় ধরনের এ পদদলনের ঘটনা ঘটে গত মাসের ২৪ তারিখ। এরপর থেকেই নিহতের সংখ্যা কেবলই বেড়েছে। এখনও শত শত হাজি নিখোঁজ। প্রাথমিকভাবে সৌদি সরকার জানিয়েছিল ৭৬৯ হাজি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৯৩৪ জন। ২৬শে সেপ্টেম্বরের পর ওই সংখ্যা আর পাল্টায়নি সৌদি আরব। কিন্তু বিভিন্ন দেশ যত হাজির লাশ পেয়েছে, সে হিসেবে এখন পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৭৭-এ। রোববার ক্রাউন প্রিন্স ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন নাইফ বিন আবদুল আজিজ মিনার ওই পদদলনের ঘটনা নিয়ে একটি বৈঠকে বসেছেন। এ ছাড়া সৌদি বাদশাহ সালমান দুর্ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

আজ হিজরি সনের নব বর্ষ।

১৪-১০-২০১৫
বাংলাদেশের আকাশে গত কাল বুধবার হিজরি নতুন বছরের প্রথম মাস মহরমের চাঁদ দেখা গেছে। সেই মোতাবেক আগামী ২৪ অক্টোবর ১০ মহররম, শনিবার পবিত্র আশুরা পালিত হবে। আজ সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। চাঁদ দেখার ব্যাপারে সারাদেশ থেকে প্রাপ্ত খবর পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের আকাশে ১৪৩৭ সালের মহরম মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। আজ বৃহস্পতিবার থেকে মহরম মাস গণনা শুরু হবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সহ-সভাপতি ড. চৌধুরী মোঃ বাবুল হাসান কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন।

হিজরি সনের আজ প্রথম দিনে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সকল মানুষকে সত্য ধর্ম ইসলামের বাণী হুকুম আহকাম অনুসরণ ও মান্য করার মধ্যমে এই বিশ্বে তথা ইকালে ও পরকালের কল্যাণ লাভে আহবান জানাই। আর সুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই বিশ্বাসীদের প্রতি যারা ইসলামের সুশিতল শান্তির মধ্যে নিজেদের কে শামিল করেছেন এবং নিজেদের ঈমন ও আকিদায় বিশুদ্ধতা অবলম্বন করে পরিশুদ্ধ জীবন গ্রহণ করেছেন। ফেলে আসা জীবনের ইহকালীন ও পরকালীন সফলতার জন্য আল্লাহর প্রসংশা ও শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি এবং ইহকালীন ও পরকালীন ব্যর্থতার জন্য তাঁর নিকট ক্ষমা ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করি এবং ভবিষতের জন্য কল্যাণ প্রর্থনা করি। হিজরি সনের প্রবর্তনের ইতিহাস অনেক পুরাতন কারণ এর সাথে জরিত আছে চন্দ্র মাসের সম্পর্ক। চন্দ্র মাস আদিকাল থেকেই চলে আসছিল তা কুরআন মাজিদে পরিস্কার করে বলা হয়েছে। এবং এই চন্দ্র মাসে গণনা অনুযাই আমাদের বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগী নির্ধারিত আছে। তাই চন্দ্র মাসের গুরত্ব অপরিসিম। চন্দ্র মাসের গণনা থাকলেও আমাদের বছর গণনা শুরু হয় সর্ব প্রথম খলিফা ওমর (রা) এর সময় থেকে। এই বছর গণনার নাম রাখা হয় হিজরি সন। মাসের মধ্যে ৪টি মাস সম্মানীত বা হারাম মাস। এর মধ্যে মহররম মাস একটি। এই মাসে ১০ তারিখে মহান আল্লাহ তা'আলা হযরত মুসা (আঃ) ও তাঁর কওমকে অত্যাচারী জালেম বাদশা ফেরআউন এবং তার সৈন্য বাহিনী সহ ডুবায়ে ধংস করার মধ্যমে মুক্তি দিয়েছিলেন। সেই উপলক্ষে আল্লাহর রসূল মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর উম্মতকে ইহুদীদের বিপরীত দুইটি করে নফল রোজ রাখতে বলেছেন। ইহুদীরা ১০ তারিখে একটি রোজা রাখে মুসলমানগণ হয় ৯ এবং ১০ তারিখ দুইটি রোজা রাখবে।

 

এবারে হজ্ব '২০১৫, হাজীদের পরিসংখ্যান।

সূত্র- ১৩ অক্টোবর ২০১৫,মঙ্গলবার, দৈনিক নয়া দিগন্ত।
এ বছর হজ্ব করতে গিয়ে মিনার ও কাবার ক্রেন দুর্ঘটনা এবং স্বাভাবিক মৃত্যুসহ সৌদি আরবে সর্বমোট ২০৪ জন হাজীর মৃত্যু হয়েছে। মিনার দুর্ঘটনায় মৃত হাজীর সংখ্যা ৮১ জন। নিখোঁজ রয়েছেন আরো ৯০ জন। ক্রেন দুর্ঘটনায় মারা যান একজন বাংলাদেশী হাজী। এ পর্যন্ত স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে ১২৩ জন হাজীর। মৃত মোট হাজীদের মধ্যে পুরুষ-১৫৩, মহিলা-৫১ জন। মক্কায় মারা গেছেন ১৯৩, মদিনায় ৭ ও জেদ্দায় ৪ জন। 
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক ওয়েবসাইটে গতকাল এই তথ্য দেয়া হয়েছে। মিনায় দুর্ঘটনার পর এই প্রথম ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মিনায় নিহত হাজীর পরিসংখ্যানসহ এবারের হজে সর্বমোট মৃত্যুবরণকারী হাজীর সংখ্যা দেয়া হলো। 
এতে বলা হয়, হজ্ব প্রশাসনিক দলের উপদলনেতা এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব হাসান জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে রোববার আইটি ও চিকিৎসকদলের কর্মকর্তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাজীদের বর্তমান অবস্থা জানার জন্য তায়েফের কিং ফয়সাল হাসপাতাল, কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতাল ও আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। অপর দিকে আইটি কর্মকর্তাদের অপর একটি দল মক্কার কিং ফয়সাল হাসপাতাল এবং মুয়াইসিম মর্গ পরিদর্শন করেন।
পরিসংখ্যানে বলা হয়, মিনা দুর্ঘটনায় মৃত হাজীর সংখ্যা ৮১ জন; তন্মধ্যে পুরুষ ৫২ জন এবং মহিলা ২৯ জন। নিখোঁজ হাজীর সংখ্যা ৯০ জন (মিনা দুর্ঘটনায় সর্বমোট রিপোর্টকৃত নিখোঁজ হাজীর সংখ্যা ২৪৮ জন)। খুঁজে পাওয়া হাজীর সংখ্যা ৭৭ জন। ক্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় একজনের (পুরুষ)। আহত ৪০ জন (বর্তমানে চিকিৎসাধীন একজন)। এ ছাড়া স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে সর্বমোট ১২৩ জনের। তাদের মধ্যে পুরুষ ১০১ জন; মহিলা ২২ জন। সর্বশেষ রোববার মাদারীপুরের মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন (৪৩) পবিত্র মক্কা-আল-মোকাররমায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার পাসপোর্ট নম্বর ওসি৪১১০৩৫৮। 
উল্লেখ্য, গত ২৪ সেপ্টেম্বর মক্কার অদূরে মিনায় জামারাতে শয়তানকে প্রতীকী কংকর নিক্ষেপ করতে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ভিড়ে পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় ৭৬৯ জন নিহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়। তবে নিহদের সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে মর্মে বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়। এপর্যন্ত 
দেশে ফিরেছেন অর্ধ লক্ষাধিক হাজী : এ দিকে গত মধ্যরাত পর্যন্ত অর্ধ লক্ষাধিক হাজী দেশে ফিরেছেন। রোববার রাত ৩টা পর্যন্ত সর্বমোট ১১৮টি ফিরতি ফাইটে সর্বমোট ৪৬ হাজার ৮৭৪ জন দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৬১টি; সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৫৭টি। রোববার মধ্যরাতের পর গত মধ্যরাত পর্যন্ত আরো অন্তত ১০টি ফাইটে আরো ৪ হাজারের মতো হাজী দেশে ফিরেছেন। এ বছর বাংলাদেশী হাজী (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) ১,০৬,৫৫০ জন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ফিরতি হজ ফাইট শুরু হয়।

 

সৌদি আরবে ৫ বছর মেয়াদি নতুন আকামা দেয়া শুরু ১৫ই অক্টোবর।

সূত্র- ১১ অক্টোবর ২০১৫, রবিবার, মনবজমিন।
সৌদি আরবে অভিবাসীদের জন্য ৫ বছর মেয়াদি নতুন আকামা দেয়া শুরু হবে ১৫ই অক্টোবর থেকে। এতে ‘আকামা’ শব্দের বদলে লেখা থাকবে ‘রেসিডেন্ট আইডেন্টিটি’ বা বসবাসকারীর পরিচয়। দেশটির পাসপোর্ট বিভাগের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে অনলাইন আরব নিউজ। ১৫ই অক্টোবর নতুন হিজরি বর্ষের প্রথমদিন থেকে নতুন এ আকামা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিবাসী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিবছর অনলাইনে ওই আকামা নবায়ন করতে হবে। নবায়নের জন্য পাসপোর্ট বিভাগের কার্যালয়গুলোতে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। নবায়নকৃত কার্ড বিতরণ করা হবে কুরিয়ারে। নবায়ন করা হলে, স্পন্সরশিপ বদল হলে বা প্রথমবারের মতো অনুমোদন দেয়ার ক্ষেত্রে পুরনো কার্ডের বদলে নতুন কার্ড দেয়া হবে। পুরনো কার্ডগুলো কার্যকর থাকবে মাত্র এক বছর। নতুন কার্ডগুলো ‘আবশির’ বা ‘মুকিম’ সেবাগুলোর মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক্যালি নবায়ন করা যাবে। জালিয়াতি ঠেকাতে নতুন কার্ডে থাকবে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ। আর কার্ডের ওপর মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ থাকবে না। বিদ্যমান বাৎসরিক ফি বলবৎ থাকবে।

 

নিহত বাংলাদেশী হাজির সংখ্যা বেড়ে ৭৯

সূত্র:- মানবজমিন, ১০ অক্টোবর ২০১৫, শনিবার, ১১:০৪

pic

মিনা ট্রাজেডিতে নিহত বাংলাদেশীর সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৭৯ জনে। সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৫ই অক্টোবর তিনি জানিয়েছিলেন নিহত বাংলাদেশীর সংখ্যা ৫১ জন। চারদিনের ব্যবধানে আরো ২৮ জন বাংলাদেশী হাজির মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। এখনও ৯০ জন নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বরে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গোলাম মসীহ। তিনি বলেন, যারা নিখোঁজ ছিলেন এখনো তাদের অনেকের মৃতদেহ শনাক্ত করা হচ্ছে। মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য বাংলাদেশে দূতাবাস সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বলে তিনি জানান। মৃতদেহ দাফনের প্রসঙ্গে বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত বলেন, মৃতদেহ শনাক্ত হওয়ার পর তাদের দাফনের বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের মতামত নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। আর বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর মতামত সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে। মি. মসীহ জানান, ‘সবাই চায় তাদের স্বজনকে যেন মক্কা-মদিনার মতো স্থানে দাফন-কাফন করা হয়। সে রকম একটা ইচ্ছা দেখা যাচ্ছে।’ মৃতদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, এতে কোন বাধা-নিষেধ নেই। কেউ তার স্বজনের মৃতদের দেশে নিতে চাইলে সৌলি কর্তৃপক্ষ সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে।
২৪শে সেপ্টেম্বর মিনায় হজ্জের সময় শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে যাওয়ার পথে পদদলিত হয়ে শত শত হাজি মারা যান। সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাতশো। কিন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করেছে যে মৃতের সংখ্যা ১২শ’র বেশি।

 

হজ্বকে কখনোই রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয় -মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ

Image not found

সূত্র- শনিবার 10 October 2015; দৈনিক সংগ্রাম।

আরব নিউজ : চলতি বছরের হজ চলাকালীন সময় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সৌদি কর্তৃপক্ষের পরিকল্পন ও সংগঠনের প্রশংসা করেছে মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ (এমডব্লিউএল)। এমডব্লিউএল'র সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মহসিন আল তুর্কি মক্কায় ক্রেন দুর্ঘটনা ও মিনা ট্রাজেডিকে রাজনৈতিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করায় ইরানের কঠোর সমালোচনা করেন।বিশ্ব হজ প্রতিনিধি গ্রুপের নেতৃবৃন্দের সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন ও রসূল সা. এর শিক্ষা অনুযায়ী হজ এমন একটি আয়োজন যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষকে একত্রিত হওয়ায় সুযোগ তৈরি করে। বাদশাহ সালমানের নেতৃত্বে পবিত্র স্থাপনাসমূহের সম্প্রসারণে সৌদি আরবের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, হাজীদের সহজে ও নিরাপদে হজ পালন নিশ্চিত করতে সৌদি সরকার বহু স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, কারিগরি সহায়তা ও বিভিন্ন উপকরণের ব্যবস্থা করেছে। তিনি বলেন, হজ প্রতিনিধি গ্রুপের নেতৃবৃৃন্দ একটি বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, হজ কখনই রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হওয়া উচিত নয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি গ্রুপের নেতৃবৃন্দ সৌদি সরকারকে সার্বিক সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

 

ইয়েমেনের সিরওয়াহ শিয়া দখলমুক্ত

9-10-2015

Pic

সৌদির সম্নিলিত আরব বাহিনী একটি গুরুত্বপর্ণ অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছে যা ইয়েমেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিয়া ঘাটি দখল করতে সাহায্য করেছে।
সম্নিলিত আরব বাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার সাইফ বলেছেন, সিরওয়াহ শহর হুতিদের থেকে দখল করার সময় যুদ্ধ চলাকলীন সময়ে কিছু সংখ্যক শিয়া নিহত হয়েছে ও কিছু বন্দী হয়েছে।
সিরওয়াহ মুক্ত হওয়ার অর্থ আরব সৌন্যদের জন্য খুবই ভাল ভাগ্য। সিওয়াহ শহরটাই শত্রুদের শেষ শহর ছিল যেখানে শত্রুদের শক্তিশালী ঘাটি ছিল।
সিরওয়াহ যুদ্ধ ৩ দিন আগে শুরু হয়েছে এবং ইতিমধ্যে তা দখলমুক্ত হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার কাবী আরও বলেছেন, শত্রুরা তারাহুরা করে পালচ্ছিল। সানায়ার যোগাযোগ পথে নিরাপত্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
সিরওয়ার অধিবাসীরা সেখানে ফিরে এসে বসবাস শুরু করেছে সুখবরটি পাওয়ার পর। জরুরী ত্রান সামগ্রী তাদের মধ্যে বিতরন করা হয়েছে। এবং আল্লাহ চান তো আমরা ত্রান দিতে থাকব যতক্ষন না তাদেয় সমস্যার সমধান হচ্ছে।
সংগৃহীত :- খালিজ টাইমস Khaleej Times

লেখকঃ শাইখ আহমেদ উল্লাহ মাদানী
(ট্রান্সলেটর ও প্রিচার, পশ্চিম দাম্মাম ইসলাম প্রচার অফিস, ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রাণালয়, সৌদি আরব)

 

মিনা ট্রেজেডি

মিনা ট্রেজেডি
04-10-2015

pic

মিনা ট্রাজেডি: লেখক শাইখ আহমেদ উল্লাহ মাদানী, নিজের চোখে যা দেখেছেন:-
(লেখাটি আজকের দৈনিক মানবজমিন এবং সমকালে প্রকাশিত হয়েছে। সমকালের লিংক পোষ্টের শেষে ও কমেন্টের ঘরে। তবে পত্রিকায় সব কথা আসে নি, যা পোস্টে এসেছে)
২৪শে সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতি বার) সৌদি আরবে ঈদের দিন। দক্ষিণ দাম্মাম ইসলাম প্রচার অফিস থেকে আসা আমরা ৪৮জন প্রবাসী বাংলাদেশী অবস্থান করছিলাম লোকাল হজ্জ এজেন্সি ‘আল রাজেহী’ এর তাবুতে। যা ৫২২/৯ মুজদালিফার শুরু এবং মিনার ঠিক শেষে, মিনার আল ওয়াদী হাসপাতালের বিপরীতে অবস্থিত ছিল। সকাল পৌনে সাতটায় আমরা ৫২২নং রোড ধরে জামারাতের অভিমূখে পায়ে হেঁটে চলতে থাকি কংকর নিক্ষেপের উদ্ধেশে। কিছুদুর যাওয়ার পর ৫১১নং রোডে উঠি। এই সড়কটি দু’দিকে ভাগ হয়ে গেছে। ডান পাশের রাস্তাটি গিয়ে জামারাতের একটি প্রধান সড়ক (কিং ফাহাদ রোড) এর সাথে মিশেছে। আর বাম পাশের পথটিও জামারাতের আরেকটি প্রধান সড়কে গিয়ে সংযুক্ত হয়েছে। আমরা এই পথটি ধরেই অগ্রসর হয়েছি। কিছুদুর যাওয়ার পর সিড়ি বেয়ে জামারাতে যাওয়ার অন্যতম প্রধান সড়ক (সম্ভবত) সূক আল আরব মহা সড়কে আমরা উঠি।
এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, মিনার প্রধান সড়কগুলো হলো যথাক্রমে- কিং আবদুল আজীজ সড়ক, কিং ফয়সাল সড়ক, সূক আল জাওহারাহ সড়ক, সূক আল আরব সড়ক, কিং ফাহাদ সড়ক এবং পদচারীদের জন্য বিশাল টিনসেড সড়ক ও রিং রোড। এরমধ্যে মেট্রো রেল লাইন ঘেঁষে যাওয়া কিং আবদুল আজীজ সড়কটি জামারাতের পাশ দিয়ে মক্কা পর্যন্ত চলে গেছে। আর অপর পাশের রিং রোডটিও জামারাতকে পাশে রেখে মিনার বাহিরে চলে গেছে। আর অবশিষ্ট্য সকল প্রধান সড়কই গিয়ে জামারাত ব্রীজে (যেখানে কংকর নিক্ষেপ করতে হয়) গিয়ে সংযুক্ত হয়েছে।
(১) আমরা জামারাতের যে রোডটি ধরে অগ্রসর হয়েছি সেটা ছিল খুবসম্ভব সূক আল আরব সড়ক। সুবিশাল এই সড়ক তখন কানায় কানায় পরিপূর্ণ। দলে দলে মানুষ পায়ে হেঁটে জামারাতের দিকে ছুটে চলেছেন। কিছুদুর যাওয়ার পর দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশরা আমাদেরকে ডান পাশের একটি সরু পথ ধরার নির্দেশ দিলেন। পরিকল্পনা ছিল, সেই ছোট্ট সড়কটি হয়ে কিং ফাহাদ মহাসড়কে উঠার-যেটি জামারাতে গিয়ে মিশেছে। শুরুতেই একটি বিল্ডিংয়ের নিচে আন্ডার গ্রাউন্ড হয়ে ২০৪নং সড়কের দিকে আমাদেরকে অগ্রসর হতে হলো। এই রোডটি হলো দু’পাশে সারিবদ্ধ তাবুর মধ্যবর্তী পথ, যা মূলত: তাবুর লোকদের চলাচলের পথ। স্বভাবত:ই সেই পথটি ফেলে আসা মহা সড়কের চেয়ে অনেক সরু। প্রথমত: বিশাল সড়কভর্তি লোকগুলো যখন মহল্লাহর সরু পথে ডাইভার্ট হলো, তখনই শুরু হলো প্রচণ্ড চাপা চাপি ও বর্ণনাতীত ভিড়। এদিকে সে সময়ের তাপমাত্রা ছিল হজ্জের যেকোন দিনের চেয়ে বেশি। ফলে অনেক হাজী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের পথ চলার গতিও শ্লথ হয়ে আসতে লাগলো। এভাবে পথ যতো এগুতে থাকে ভিড় ততই বাড়তে থাকে।
(২) ঘটনাস্থল অর্থাৎ ২০৪নং সড়কে কৃষ্ণবর্ণের দীর্ঘদেহী আফ্রিকান ও এরাবিয়ান হাজীদের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। আর হজ্জ বা উমরায় আসা যেকোন লোকই জেনে থাকবেন- নাইজেরিয়ান, কেনিয়ান ও অন্যান্য দেশী কৃষ্ণাঙ্গ হাজীরা সাধারণত: অনেক বেশি হুড়োহুড়ি করে চলতে অভ্যস্ত। দুর্ঘটনাস্থলে তাদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হওয়াটাও ভিড়ের ভয়াবহতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। আর মৃতদের মধ্যে তাদের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়া থেকেও বুঝা যায় যে এই পথে তাদের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল।
(৩) এই পথে ইরানী হাজীদের গ্রুপগুলোর আধিক্যও চোখে পড়ার মতো ছিল। আমার ধারণা, পুরো পথে প্রায় শতকরা ৩০জনই ছিলেন ইরানী হাজী! ইরানী হাজীদের একটি চরিত্র হলো, কখনোই তারা গ্রুপ বিহিন চলাফেরা করেন না। কোন ইরানীকে বিশেষ করে হজ্জ বা উমরার কোন কাজ সম্ভবত: কেউ একা করতে দেখেন নি। তাদের প্রতিটি গ্রুপকে ঘিরে থাকে শক্তিশালী কিছু লোক। যারা অন্যদেরকে ঠেলাঠেলি করে হলেও নিজেদের গ্রুপকে বিচ্ছিন্ন হতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিক পথ চলা অনেক সময় রুদ্ধ হয়ে যায়। মিনা ট্রাজেডির ঘটনাস্থ ২০৪নং রোডেও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি এবং যথারীতি গ্রুপ আকারে। এটিও অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টির অন্যতম কারণ। তাছাড়া বেশ কিছু লোক ভয়াবহ এই ভিড়ের বিপরীত দিক থেকে আসতে থাকে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোক ছিল ইরানী। তারা কোনরূপ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই কংকর নিক্ষেপ শেষে ২০৪নং সড়ক দিয়ে বিপরীত দিক থেকে প্রবেশ করতে থাকে। আল আরাবিয়া চ্যনেল একজন ইরানী কর্মকর্তার স্বিকারোক্তির বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ প্রসঙ্গে প্রমাণ স্বরূপ তারা দৃর্ঘটনার সময়কার একটি ভিডিও ক্লিপও প্রচার করেছে। একারণে অনেকের ধারণা, ইয়েমেনের ক্ষমতাদখলকারী হুথী শিয়াদের বিরোদ্ধে সৌদি আরবের যুদ্ধের কারণে শিয়া গোষ্ঠি সৌদি সরকারকে বিপদে ফেলার জন্যও ইচ্ছাকৃতভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। মিশরের সাবেক স্বাস্থ মন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বর্তমানে সৌদিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ডাক্তার আবদুল হামীদ ফাউজী মক্কা, মিনা আজিজিয়া ও জেদ্দার বিভিন্ন হাসপাতলে দুর্ঘটনার স্বিকার মৃত ও চিকিৎসাধীন লোকদের উপর পরিক্ষা চালিয়ে নিশ্চিত করেছেন যে, ঘটনাস্থলে বিষাক্ত গ্যাস প্রয়োগ করা হয়েছে। যার কারণে আশ্চর্যজনক ভাবে বেশিরভাগ আহত লোকেরই মস্তিষ্ক অনেকটা বিকল হয়ে আছে! এই তথ্যটি তিনি সৌদি বাদশার নিকটও পৌঁছে দিয়েছেন। সংবাদ বহুল প্রচারিত স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘আজেল’ এর।
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মাথা গজিয়ে ওঠা শিয়া ফেতনা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আর শিয়াদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও উস্কানী দেওয়ার মাধ্যমে পশ্চিমা ইহুদী-খ্রীষ্ট শক্তি ইসলামী শক্তিকে দুর্বল করে রাখতে চায়। মালিক সালমান শুরু থেকেই শিয়াদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। সঙ্গত কারণেই সৌদি নেতৃত্ব নতুন এক চ্যলেঞ্জের মুখোমুখি। ভিতরে-বাহিরে বর্তমান নেতৃত্বকে কঠিন প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসকল কারণে এমন সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দেওয়া যায় না যে, খুবই সুক্ষ কোন পরিকল্পনার আলোকে একটি প্রতিকূল অবস্থা তৈরি করা হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে ইরান জাতিসংঘে তোলপাড় সৃষ্টি করবে।
(৪) প্রচণ্ড ভিড় ও চাপাচাপির মধ্যে আমরা চলতে থাকি। এরই মাঝে কিছু দুর্বল লোক পেছনের চাপ সামলাতে না পেরে পড়ে যেতে লাগলেন। আর ভয়াবহ এই ভিড়ে দু’একজন পড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই তাদের আশপাশের লোকেরাও হুমড়ি খেয়ে তাদের উপরে পড়ে সেখানে পতিত মানুষের স্তুপ সৃষ্টি হয়ে যেতো লাগলো। কারণ, পেছনের মহাসড়ক থেকে আসা মানুষের স্রোতের চাপে কেউ পড়ে গেলেই পিছনের লোকেরা সরিরের ভারসাম্য ধরে রাখতে না পেরে তারাও মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে লাগলেন পতিত লোকদের উপর। পড়ে যাওয়া মানুষের কারণে যখন আর সামনে এগুনো যাচ্ছিল না তখন আশপাশের মানুষ সর্বশক্তি দিয়েও দাঁড়িয়ে থাকতে পারে নি। পেছনের চাপে তারাও একের পর এক পড়ে যেতে লাগলেন। এভাবে একজন পড়ে গেলে মুহুর্তের মধ্যে তার উপর আরো বহু লোক পড়ে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হতে লাগলো। এদিকে এমত পরিস্থিতে আশপাশের সকল তাবুর গেটগুলো ছিল বন্ধ। আমরা বহু চিৎকার করে গেট খুলে পথের বৃদ্ধ ও নারীদের অন্তত ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দিতে বললেও সম্ভবত: হুড়োহুড়ি সৃষ্টি হয়ে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরির ভয়ে তারা গেট খোলে নি কেউ। অপরদিকে কর্তব্যরত নিরাপত্তা ও স্বাস্থকর্মিরা এখানে হতাহতের খবর পেয়ে উদ্ধারের জন্য বিপরিত দিক থেকে একটি এ্যম্বুলেন্স প্রবেশ করানোর ব্যর্থ চেষ্টা শরু করলেন। যার ফলে সামনের লোকগুলোর বের হওয়ার পথও অনেকটা রুদ্ধ হয়ে গেলো। একদিকে সমুদ্রের স্রোত ছোট একটি খালে প্রবাহিত করা হয়েছে, অপর দিকে খালের মুখেও এ্যম্বুলেন্স প্রবেশের ফলে স্রোত বের হওয়ার সরু পথটিও বন্ধ হয়ে গেছে। আর তখনই কয়েক মিনিটের মধ্যে পেছন থেকে আসা মানুষের স্রোত থমকে যাওয়া লোকগুলোর উপর একের পর এক আছড়ে পড়তে থাকে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই রচিত হয়ে গেলো ইতিহাসের বিষাদময় ট্রাজেডিক উপাখ্যান। যারা আশপাশের তাবুর গ্রীল বেয়ে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন তারাই কেবল বেঁচে ছিলেন। আমার গ্রুপে আমি সহ মোট ৪৮জন ছিলাম। তার মধ্যে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সাজেদুল ইসলাম নামের দুই সন্তানের জনক এক টেক্সি ড্রাইভার ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর কুমিল্লার জসিম নামের অপর একজনের এখনো কোন খবর পাওয়া যায় নি। আর বুকের হাড় ভেঙ্গে গুরুতর অবস্থার স্বিকার দুইজন এখনো মক্কার একটি হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়াও অনেকের হাত বা পা ভেঙ্গেছে। অনেকে বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। তারা সবাই ইতিমধ্যে সেই অবস্থায়ই নিজ গন্তব্য দাম্মামে এসে পৌঁছেছেন।

Islamic Website