Elmunnahoo1

Pages 1 2
Page 2

দশম পাঠ
إِعْرَابُ الْإِسْمِ
বিশেষ্যের কারক চিহ্ন
সংজ্ঞাঃ আমিলের কারণে যে সমস্ত عَلَامَتٌ বা চিহ্ন দ্বারা إِسْمٌ বা বিশেষ্য পদের শেষ অক্ষরে হরকতের বা স্বরচিহ্নের বিভিন্ন রূপ হয় তাহাকে إِعْرَابٌ বা কারক চিহ্ন বলে। অর্থাৎ আমিলের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় إِسْمٌصِفَتٌ এর শেষাক্ষরে যে কারক চিহ্ন ফাতাহ, যুম্মাহ, কাসরাহ দেওয়া হয়, তাহাকে إِعْرَابٌ বা কারক চিহ্ন বলে। إِعْرَابٌ এর আমিল এর অবস্থা তিন রকম। যথা – ১। رَفْعٌ কর্তৃকারক, ২। نَصْبٌ কর্মকারক, ৩। جَرٌ সম্বন্ধ পদ। কর্তৃকারক যুক্ত শব্দকে مَرْفُوع , কর্মকারক যুক্ত শব্দকে مَنْصُوب বলে এবং সম্বন্ধ পদ যুক্ত শব্দকে مَجْرُور বলে। যে সব শব্দ ضُمَّة (উর্দূ বা ফর্সিতে পেশ) বিশিষ্ট তাহাকে মাযমূম বলে, فَتَحْة (উর্দূ বা ফর্সিতে যবর) বিশিষ্ট তাহাকে মাফতূহ বলে, كَسْرٌة (উর্দূ বা ফর্সিতে যের) বিশিষ্ট তাহাকে মাকসূর বলে এবং جَزم বা সূকুন বিশিষ্ট হলে তাহাকে مَجْزُوم মাজযুম বা সাকিন বলে। নিম্নে ইছমে মুতামাক্কিনের প্রকারভেদ বর্ণনা করা হল।
 
أَقْسَامُ الْإِسْمِ الْمُتَمَكِّنِ
ইছমে মুতামাক্কিনের প্রকারভেদ
إِعْرَاب বা কারক চিহ্ন গ্রহনের বিবেচনায় إِسْم مُتَمَكِّن মোট ১৬ প্রকার এবং ইহাদের إِعْرَاب ৯ প্রকার হইয়া থাকে। নিম্নে إِعْرَاب এর প্রকার ও তৎসংশ্লিষ্ট إِسْم مُتَمَكِّن এর বিবরণ দেয় হইল।
০১। প্রথম প্রকার- رَفْع বা কর্তৃকারকে ضُمَّة (যুম্মাহ), نَصْب বা কর্মকারকে فَتَحَة (ফতাহ) এবং جَر বা সম্বন্ধ পদে كَسْرَة হইবে। এই প্রকার إِعْرَار এর জন্য ৩ প্রকার إِسْم مُتَمَكِّن আছে। যথা-
(০১) مُفْرَد مُنْصَرِف صَحِيح ইহা এমন বিশেষ্য যার শেষ অক্ষরে হরফে ইল্লাত তথা ي – و – ا নাই এবং একক ও রূপান্তরশীল। যথাঃ- ক. رَفْع কর্তৃকারকে – جَاءَنِى زَيْدٌ – যয়েদ আমার নিকট আসল, এখানে যায়েদ فَاعِلٌ কর্তা এর শেষ অক্ষরে ضُمَّة হয়েছে। খ. نَصْب কর্মকারকে – رَأَيْتُ زَيْدًا আমি যায়েদকে দেখলাম। এখানে যায়েদ مَفْعُولٌ কর্ম এবং এর শেষ অক্ষের فَتَحة হয়েছে। গ. جَر সম্বন্ধ অবস্থায় – مَرَرْتُ بِزَيْدٍ আমি যায়েদের সহিত গেলাম। এখানে যায়েদ مُضَاف إِلَيه সম্বন্ধিত পদ, ইহার শেষ বর্ণে كَسْرَة হয়েছে।
(০২) مُفْرَد مُنْصَرِف جَار مَجْرِي صَحِيح ইহা এমন বিশেষ্য যার শেষ বর্ণ সহীহ এর স্থলাভিশিক্ত অর্থাৎ و বা ي হয় এবং এর পূর্ব বর্ণ জযম যুক্ত বা সাকিন থাকে আর একক ও রূপান্তরশীল। যথাঃ- رَفْع কর্তৃকারকে – جَاءَنِى دَلْوٌ আমার নিকট বালতি আসিল।, نَصْب কর্মকারকে – رَأَيْتُ دَلْوًا আমি বালতি দেখিলাম, جَر সম্বন্ধ অবস্থায় – مَرَرْتُ بِدَلْوٍ আমি বালতিসহ গেলাম।
(০৩) جُمْع مُكَسَّر مُنْصَرِف ইহা অনিয়মিত বহুবচন। যথাঃ- رَفْع কর্তৃকারকে – جَاءَنِى رِجَالٌ – আমার নিকট লোকগুলি আসিল। نَصْب কর্মকারকে – رَأَيْتُ رِجَالً আমি লোকগুলোকে দেখিলাম। جَر সম্বন্ধ অবস্থায় – مَرَرْتُ بِرِجَالٍ আমি লোকগুলোর সহিত গেলাম।
০২। দ্বিতীয় প্রকার- رَفْع বা কর্তৃকারকে ضُمَّة (যুম্মাহ) হইবে। نَصْب বা কর্মকারকে ও جَر বা সম্বন্ধ পদে উভয় অবস্থায় كَسْرَة হইবে। ইহার জন্য ১ প্রকার ইসম মুতামাক্কিন আছে। যথা-
(০৪) جَمْع مُؤَنَّث سَالِم – স্ত্রীলিঙ্গে নিয়মিত বহুবচন। উদাহরণ- رَفْع বা কর্তৃকারকে – جَاءَنِى مُسْلِمَاتٌ আমার নিকট মুসলিম মহিলাগণ আসিল। এখানে فَاعِلٌ বা কর্তা مُسْلِمَاتٌ এর শেষ বর্ণে ضُمَّة হয়েছে। نَصْب বা কর্মকারকে – رَأَيْتُ مُسْلِمَاتٍ – আমি মুসলিম মহিলাগণকে দেখিলাম। এখানে مَفْعُولٌ বা কর্ম مُسْلِمَاتٍ এর শেষ বর্ণে كَسْرَة হয়েছে। جَر সম্বন্ধ অবস্থায় – مَرَرْتُ بِمُسْلِمَاتٍ – আমি মুসলিম মহিলাগনের সাথে গেলাম, এখানে مُضَاف إِلَيه সম্বন্ধিত পদ مُسْلِمَاتٍ এর শেষ বর্ণেও كَسْرَة হয়েছে।
০৩। তৃতীয় প্রকার- رَفْع বা কর্তৃকারকে ضُمَّة (যুম্মাহ) হইবে। نَصْب বা কর্মকারকে ও جَر বা সম্বন্ধ পদে উভয় অবস্থায় فَتَحة হইবে। ইহার জন্য ১ প্রকার ইসম মুতামাক্কিন আছে। যথা-
(০৫) إِسْم غَير مُنْصَرِف বা রূপান্তরহীন বিশেষ্য অর্থাৎ যে বিশেষ্যের মধ্যে أَسْبَابِ مَنِعَصَّرف এর কমপক্ষে দুইটি سَبَب হয় তাহাকে إِسْم غَير مُنْصَرِف বলে। পরে এ সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হবে। এই গুলির শেষে তানবীন ও কাসরা হয় না। উদাহরণ- رَفْع অবস্থায়- جَاءَنِى عُمَرُ – আমার নিকট উমার আসিল, এখানে কর্তা عُمَرُ এর শেষ বর্ণে ضُمَّة হয়েছে, نَصْب অবস্থায় – رَأَيْتُ عُمَرَ – আমি উমরকে দেখলাম। এখানে কর্ম عُمَرَ এর শেষ বর্ণে فَتَحة হয়েছে। جَر বা সম্বন্ধ অবস্থায় – مَرَرْتُ بِعُمَرَ – আমি উমরের সাথে গেলাম। এখানে সম্বন্ধিত পদ عُمَرَ এর শেষ বর্ণে فَتَحَة হয়েছে।
০৪। চতুর্থ প্রকার- رَفْع বা কর্তৃকারকে و দ্বারা হইবে। نَصْب বা কর্মকারকে ا দ্বারা হইবে এবং جَر বা সম্বন্ধ পদে অবস্থায় ي দ্বারা হইবে। এই প্রকার ইরাবের জন্য ১ প্রকার إِسْم مُتَمَكِّن আছে। যথা-
(০৬)إِسْمَاء سِتَّة مُكَبَّرَة ছয়টি ডাক নাম। ১. أَبٌ – পিতা, ২. أَخٌ – ভাই, ৩. حَمٌ – দেবর, ৪. هَنٌ – লজ্জার স্থান, ৫. فَمٌ – মুখ, ৬. ذُوالْمَالِ – অধিপতি। এই ছয়টি নামকে أَسْمَاءِ سِتَّة مُكَبِّرة বলে। যখন ইহারা يَاء مُتَكَلِّم ব্যতিত অন্য কোন পদের প্রতি مُضَاف বা সম্বন্ধ হয় তখন ইহাদের إِعْرَاب বা কারক চিহ্ন رَفْع অবস্থায় و দ্বারা হইবে। যথা- جَاءَ أَبُوكَ – তোমার পিতা আসল, نَصْب বা কর্মকারকে ا হইবে। যথা- رَأَيْتُ أَبَاكَ – আমি তোমার পিতাকে দেখলাম, جَر বা সম্বন্ধ পদে – ي হইবে। যথা- مَرَرْتُ بِأَبِيكَ – আমি তোমার পিতার সহিত গেলাম।
০৫। পঞ্চম প্রকার- رَفْع বা কর্তৃকারকে ا ও উহার পূর্বের বর্ণ فَتَحَة হইবে। نَصْب বা কর্মকারকে ও جَر বা সম্বন্ধ পদে উভয় অবস্থায় ي হইবে এবং উহার পূর্বের বর্ণে فَتَحة হইবে। এই প্রকার ইরাবের জন্য ৩ প্রকার إِسْم مُتَمَكِّن আছে। যথা-
(০৭) مُثَنَّى বা দ্বি-বচন। যথা- رَضُلَانِ – দুইজন পুরুষ। رَفْع বা কর্তৃকারকে – جَاءَنِى رَجُلَانِ – আমার নিকট দুইজন পুরুষ লোক আসিল, এখানে কর্তা রাযুলা-নে আলিফ হয়েছে ও এর পূর্ব বর্ণে ফাতাহ হয়েছে। نَصْب – কর্মকারকের অবস্থায়ঃ رَأَيْتُ رَجُلَيْنِ – আমি দুইজন পুরুষকে দেখিলাম এবং جَر – সম্বন্ধ, অবস্থায় مَرَرْتُ بِرَجُلَيْنِ এই দুই অবস্থাতেই কর্ম ও সম্বন্ধিত পদ رَجُلَيْنِي যুক্ত হয়েছে এবং এর পূর্ব বর্ণে فَتَحه হয়েছে।
(০৮) كِلْتَا وَ كِلَا – উভয়ই (পুরুষ) এবং উভয়ই (স্ত্রী)। ইহারা যখন জমির বা সর্বনামের দিকে সম্বন্ধ বা مُضَاف হইবে তখন ইহাদের দ্বি-বচনের কারকচিহ্ন হইবে। উদাহরণ – رَفْع বা কর্তৃকারকে – جَاءَنِى كِلَاهُمَا وَكِلْتَاهُمَا – আমার নিকট তারা উভয়ই (পুরুষ) এবং তারা উভয়ই (স্ত্রী)আসিল, এখানে কর্তা كِلَاهُمَا وكِلْتَاهُمَا তে আলিফ হয়েছে ও এর পূর্ব বর্ণে ফাতাহ হয়েছে। نَصْب – কর্মকারকের অবস্থায়ঃ رَأَيْتُ كِلَيْهِمَا وَكِلْتَيْهِمَا – আমি তাদের উভয়ই (পুরুষ) কে ও তাদের উভয়ই (স্ত্রী) কে দেখিলাম। এবং جَر – সম্বন্ধ, অবস্থায় مَرَرْتُ كِلَيْهِمَا وَكِلْتَيْهِمَا আমি তাদের উভয়ই (পুরুষ) ও তাদের উভয়ই (স্ত্রী) এর সহিত গেলাম, এই দুই অবস্থাতেই কর্ম ও সম্বন্ধিত পদ كِلَيْهِمَا وَكِلْتَيْهِمَاي যুক্ত হয়েছে এবং এর পূর্ব বর্ণে فَتَحه হয়েছে।
(০৯) إِثْنَتَانِ وَ إِثْنَانِ – দুইজন (পুরুষ) ও দুইজন (স্ত্রী)। উদাহরণ – رَفْع বা কর্তৃকারকে – جَاءَنِى إِثْنَانِ وَإِثْنَتَانِ – আমার নিকট দুইজন (পুরুষ) এবং দুইজন (স্ত্রী)আসিল, এখানে কর্তা إِثْنَانِ وَإِثْنَتَانِ তে আলিফ হয়েছে ও এর পূর্ব বর্ণে ফাতাহ হয়েছে। نَصْب – কর্মকারকের অবস্থায়ঃ رَأَيْتُ إِثْنَيْنِ وَإِثْنَتَيْنِ – আমি দুইজন (পুরুষ) কে ও দুইজন (স্ত্রী) কে দেখিলাম। এবং جَر – সম্বন্ধ, অবস্থায় مَرَرْتُ بِإِثْنَيْنِ وَإِثْنَتَيْنِ আমি দুইজন (পুরুষ) ও দুইজন (স্ত্রী) এর সহিত গেলাম, এই দুই অবস্থাতেই কর্ম ও সম্বন্ধিত পদ إِثْنَيْنِ وَإِثْنَتَيْنِي যুক্ত হয়েছে এবং এর পূর্ব বর্ণে فَتَحه হয়েছে।
০৬। ষষ্ঠ প্রকার- رَفْع বা কর্তৃকারকে و ও উহার পূর্বের বর্ণে ضُمَّة হইবে। نَصْب বা কর্মকারকে ও جَر বা সম্বন্ধ পদে উভয় অবস্থায় ي হইবে এবং উহার পূর্বের বর্ণে كَسْرَة হইবে এবং শেষ বর্ণ ن হইলে তা فَتَحة বিশিষ্ট হইবে। এই প্রকার ইরাবের জন্য ৩ প্রকার إِسْم مُتَمَكِّن আছে। যথা-
(১০) جُمْع مُذَكَّر سَالِمٌ নিয়মিত বহুবচন পুংলিঙ্গ। যথা- رَفْع বা কর্তৃকারকে – جَاءَنِى مُسْلِمُونَ – আমার নিকট মুসলিম পুরুষগণ আসিল, এখানে কর্তা مُسْلِمُونَ তে و হয়েছে ও এর পূর্ব বর্ণে ضُمَّة হয়েছে। শেষ বর্ণ নুন থাকায় তা ফাতাহ হয়েছে। نَصْب – কর্মকারকের অবস্থায়ঃ رَأَيْتُ مُسْلِمِينَ – আমি মুসলিম (পুরুষ) গণকে দেখিলাম এবং جَر – সম্বন্ধ, অবস্থায় مَرَرْتُ بِمُسْلِمِينَ – আমি মুসলিম (পুরুষ) গণের সহিত গেলাম, এই দুই অবস্থাতেই কর্ম ও সম্বন্ধিত পদ مُسْلِمِينَي যুক্ত হয়েছে এবং এর পূর্ব বর্ণে كَسْرَة হয়েছে এবং শেষ বর্ণ ن হওয়ায় তাতে فَتَحة হয়েছে।
(১১) أُولُو – অধিকারী। উদাহরণঃ رَفْع বা কর্তৃকারকে – جَاءَنِى َأُولُوالْمَالِ – আমার নিকট সম্পদশালিগণ আসিল, এখানে কর্তা أُولُوالْمَال তে و হয়েছে ও এর পূর্ব বর্ণে ضُمَّة হয়েছে। نَصْب – কর্মকারকের অবস্থায়ঃ رَأَيْتُ أُولِى الْمَالِ – আমি সম্পদশালিগণকে দেখিলাম এবং جَر – সম্বন্ধ, অবস্থায় مَرَرْتُ بِأُلِي الْمَالِ – আমি সম্পদশালিগণের সহিত গেলাম, এই দুই অবস্থাতেই কর্ম ও সম্বন্ধিত পদ أُولِى الْمَالِى যুক্ত হয়েছে এবং এর পূর্ব বর্ণে كَسْرَة হয়েছে।
(১২) عِشْرُونَ – বিশ হইতে تِسْعُونَ – নব্বই পর্যন্ত দশক সংখ্যাগুলি। যথা- رَفْع বা কর্তৃকারকে – جَاءَنِى عِشْرُونَ رَجُلًا – আমার নিকট বিশজন লোক আসিল, এখানে কর্তা عِشْرُونَ رَجُلًاو হয়েছে ও এর পূর্ব বর্ণে ضُمَّة হয়েছে। শেষ বর্ণ নুন থাকায় তা ফাতাহ হয়েছে। نَصْب – কর্মকারকের অবস্থায়ঃ رَأَيْتُ عِشْرِىنَ رَجُلًا – আমি বিশজন লোককে দেখিলাম এবং جَر – সম্বন্ধ, অবস্থায় مَرَرْتُ بِعِشْرِينَ رَجُلًا – আমি বিশজন লোকের সহিত গেলাম, এই দুই অবস্থাতেই কর্ম ও সম্বন্ধিত পদ عِشْرِينَ رَجُلًاي যুক্ত হয়েছে এবং এর পূর্ব বর্ণে كَسْرَة হয়েছে এবং শেষ বর্ণ ن হওয়ায় তাতে فَتَحة হয়েছে।
০৭। সপ্তম প্রকার- رَفْع অবস্থায়, উহ্য যুম্মাহ , نَصْب অবস্থায় উহ্য ফাতাহ, এবং جَر অবস্থায় উহ্য কাস্‌রা এর সাথে হইবে। ইহার জন্য মাত্র ২ প্রকার إِسم مُتَمَكِّن আছে। যথা-
(১৩) إِسْم مَقْصُور – যে إِشْم এর শেষ বর্ণ أَلِف مَقْصُورَة বা হ্রস্ব আলিফযুক্ত হয় তাহাকে إِسْم مَقْصُورة বলে। যথা- مُوسَٰى বা عِيسَٰى । আর ইহার ইরাব সর্বদাই উহ্য থাকিবে। যথা- رَفْع বা কর্তৃকারকে جَاءَنِى مُوسَٰى – আমার নিকট মুসা আসিল, نَصْب অবস্থায় বা কর্মকারকে رَأَيْتُ مُوسَٰى – আমি মুসাকে দেখিলাম। جَر – সম্বন্ধ অবস্থায় مَرَرْتُ بِمُوسَٰى – আমি মুসার সাথে গেলাম। এখানে সর্বাবস্থায় মুসার ইরাব উহ্য আছে।
(১৪) ইহা এমন إِسْمٌ যা يَاء مُتَكَلِّم এর দিকে مُضَاف হইবে, তবে ইসমটি جَمْع مُذَكَّر سَالِم হইবে না। যথা- غُلَامِى – আমার কৃতদাস। উদাহরণ- رَفْع বা কর্তৃকারকে جَاءَنِى غُلَامِى – আমার নিকট আমার কৃতদাস আসিল, نَصْب অবস্থায় বা কর্মকারকে رَأَيْتُ غُلَامِى – আমি আমার কৃতদাসকে দেখিলাম। جَر – সম্বন্ধ অবস্থায় مَرَرْتُ بِغُلَامِى – আমি আমার কৃতদাসের সাথে গেলাম। এখানে সর্বাবস্থায় غُلَامِى এর ইরাব উহ্য আছে।
০৮। অষ্টম প্রকার- رَفْع বা কর্তৃকারকে হইবে উহ্য ضُمَّة এর সাথে, نَصْب বা কর্মকারক হইবে, প্রকাশ্য فَتَحة এর সাথে এবং جَر হইবে উহ্য كَسرة এর সাথে। ইহার জন্য ১ প্রকার ইসম আছে। যথা-
(১৫) إِسْم مَنْقُوصٌ – যে ইস্‌ম এর শেষ বর্ণ ى হয় এবং এর পূর্ববর্ণ كَسْرَة যুক্ত হয়, তাহাকে إِسْمٌ مَنْقُوصٌ বলে। যেমন- ٱلْقَاضِى – বিচারক। উদাহরণ –رَفْع বা কর্তৃকারকে جَاءَنِى ٱلْقَاضِى আমার নিকট বিচারক আসিল, نَصْب বা কর্মকারকে رَأَيْتُ ٱلْقَاضِىَ আমি বিচারককে দেখলাম, جَر বা সম্বন্ধ অবস্থায় مَرَرْتُ بِٱلْقَاضِى – আমি বিচারকের সাথে গেলাম।
০৯। নবম প্রকার- رَفْع হইবে, উহ্য وَاو এর সাথে, نَصْبجَر হইবে প্রকাশ্য يَاء – এর সাথে এবং এর পূর্ববর্ণ হইবে كَسْرَة যুক্ত।
(১৬) جُمْع مُذَكَّر سَالِم এর জন্য নির্দিষ্ট যাহা يَاء مُتَكَلِّم এর প্রতি مُضَاف হইবে। উদাহরণ- رَفْع অবস্থায় – جَاءَنِى مُسْلِمِىَّ – আমার নিকট আমার অনুগত ব্যক্তিগণ আসল, শব্দটি মূলত مُسْلِمُونَ ছিল, এর সাথে يَاءَ مُتَكَلِّم যুক্ত হওয়ায় مُسْلِمُويَ হইল এবং ইহা তা'লীল হওয়ায় مُسْلِمِىَّ হয়েছে। نَصْب অবস্থায় হইবে رَأَيْتُ مُسْلِمِىَّ – আমি আমার অনুগত ব্যক্তিগণকে দেখিলাম, আর جَر অবস্থায় مَرَرْتُ بِمُسْلِمِىَّ আমি আমার অনুগত ব্যক্তিগণের সহিত গেলাম।
 
إِسْم مُعْرَب এর প্রকারভেদ
إِسْم مُعْرَب দুই প্রকার।
প্রথম প্রকারঃ مُنْصَرِف আর এটি ঐ ইসম বা বিশেষ্য যার মধ্যে নয়টি সবব (কারণ) এর মধ্য হইতে দুইটি সবব বা দুইটির সমপর্যায়ের একটি সবব বিদ্যমান না থাকে। যথা – زَيْدٌ এবং একে إِسْم مُتَمَكِّن ও বলা হয়।
হুকুমঃ এর হুকুম এই যে, এতে (শেষ বর্ণে) তিনটি হরকত (স্বরচিহ্ন) ই তানভীনসহ যুক্ত হতে পারে। যেমন- جَاءَنِى زَيْدٌرَأَيْتُ زَيْدً এবং مَرَرْتُ بِزَيْدٍ
 
দ্বিতীয় প্রকারঃ غَيرْ مُنْصَرِف আর তা ঐ ইসমকে বলা হয় যার মধ্যে নয়টি সববের দুইটি সবব বা দুইটির সমপর্যায়ের একটি সবব বিদ্যমান থাকে।
সবব নয়টি হচ্ছেঃ (১) عَدْل (রূপান্তর হওয়া) (২) وَصْف (বিশেষণ হওয়া) (৩) تَانِيث (স্ত্রী লিঙ্গ হওয়া) (৪) مَعْرِفَة (নির্দিষ্ট হওয়া) (৫) عُجْمَة (অনারাবী হওয়া) (৬) جَمْع (বহুবচন হওয়া) (৭) تَرْكِيب (যৌগিক হওয়া) (৮) أَلِف ونُون زَائِدَتَانِ (অতিরিক্ত আলিফ ও নূন যুক্ত হওয়া) (৯) وَزْن فِعْل (ফি'ল এর ওযন হওয়া) ।
হুকুমঃ এর হুকুম এই যে, এতে (শেষ বর্ণে) কাসরাহ ও তানভীন যুক্ত হয় না এবং কাসরাহ এর স্থলে সর্বদা ফাতাহ হয়ে থাকে। যেমন- جَاءَنِى أَحْمَدُرَأَيْتُ أَحْمَدَ এবং مَرَرْتُ بِأَحْمَدَ

Page 2
Pages 1 2

One thought on “Elmunnahoo1”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Islamic Website