All posts by Shamsul Alam

Islam is the only true religion, Allah is one and he is only creator. There have no worthy of worship but Allah.

Common discussion in post

দাওয়া ওয়া তাবলীগ ওয়েব সাইটের প্রতিটি পেজের সবচেয়ে নিচে ফুটার এরিয়ায় প্রতি দিনের অনলাইন ক্লাসের লেক্চারগুলো প্লে করে শুনতে পারবেন। এবং "Audio Archive" পেজ থেকে প্রত্যেকটি লেক্চার ডাউন-লোড করতে পরবেন।

আজ বিজ্ঞান সম্পর্কে আলোচনা করা যাক– সাধারণত বিজ্ঞানের অন্যতম বিষয়- ১। পদার্থ বিজ্ঞান ২। রসায়ন বিজ্ঞান ৩। জীব বিজ্ঞান ৪। গণিত বিজ্ঞান। এছড়াও আরও বিজ্ঞান আছে যেমন- সমাজ বিজ্ঞান, রাষ্ট্র বিজ্ঞান, ভূ-বিজ্ঞান, মহাবিশ্ব বা মহাকাশ বা মহাজাগতিক বিজ্ঞান। এ সব বিজ্ঞান পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। এ সব বিজ্ঞান মূলত গড়ে উঠেছে আল্লাহর সৃষ্টি কে পর্যবেক্ষণ করার মাধ্যমে। এ ছাড়াও আরও বিজ্ঞান বা জ্ঞান বা বিদ্যা আছে যেমন- কলা বা শীল্প তা চাই কথায়, লিখায় ও অঙ্গভঙ্গিতে, বস্তুতে বা অঙ্কনে ইত্যাদি। এই দ্বিতীয় প্রকার বিদ্যা মানুষের মনস্তাত্বিক ও ব্যবহারিক চাহিদার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। এছাড়াও আরও একটা ভিন্ন ধারনের বিজ্ঞান বা বিদ্যা আছে তা হচ্ছে – দর্শন ও যুক্তি বিদ্যা। দর্শন ও যুক্তি বিদ্যা এমন বিদ্যা যা কেবল মানুষের অনুমানের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। যুক্তি বিদ্যার দুটি ভাগ, এক- যা পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে তৈরী হয়েছে যা মূলত বিজ্ঞানীরা ও গণীত বিশেষজ্ঞরা ব্যবহার করে, আর দুই- যুক্তি বিদ্যা যা শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করেই তৈরী হয়েছে যা অধিকাংশ দার্শনিকরা ব্যবহার করে। এর মধ্যে কিছু কিছু বিজ্ঞানীগণ এমন অনেক থিওরম ও হাইপোথিসস দিয়েগেছেন যা শুধু অনুমানের উপর বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই। আবার এমন কিছু বিজ্ঞানী আছে যারা যে বিষয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল তা পরবর্তী সময়ের বিজ্ঞানীগণ ভুল প্রমাণ করেছেন। তাই এক কথায় বিজ্ঞানীগণ যে কথাই বলুক না তা চিরস্থায়ী সত্য নয়। তবে সে সব সিদ্ধান্ত আপত দৃষ্টিতে সেই পর্যন্ত সত্য বলে গ্রহণ করা যায় যতক্ষণ না তাকে আরও গভীর পর্যবেক্ষণে ভুল প্রমাণীত না হয়।

বিজ্ঞানীগণ বলেছেন এখন পর্যন্ত তারা বহু বিষয় সম্পর্কে জানেন না। এখনও অনেক বিষয় বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণে ধরা পরে নাই। এমন অনেক বিষয় আছে যা বিজ্ঞানীগণ এখনও আবিস্কার করতে পারেন নাই।  সৃষ্টিরাজীর এত ব্যপকতা দেখে বিজ্ঞানীগণ বিস্ময়াভিভূত। সৃষ্টির পরতে পরতে এত কৌশল তা নিতান্তই বিস্ময় ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায় মানুষের জ্ঞান বড়ই সীমিত। এত সীমিত জ্ঞান নিয়ে মানুষ কিভাবে চিন্তা করে তারা সয়ংসম্পূর্ণ। এটাই মানুষের মিথ্যা অহমিকা। এটাই শয়তানের ধোকা।

আর অধিকাংশ দার্শনিকরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন যে বিষয়ে তাদের কোন সঠিক জ্ঞান নাই। তারা কিছু জানা বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত করে অন্য এমন বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্তনেন যে বিষয়ে আসলে তাদের মোটেও জ্ঞান নেই। তাই দার্শনিকদের সিদ্ধান্ত এক রকম হয় না। এক দাশর্নিক এক রকম সিদ্ধান্ত দেন এবং অন্য দার্শনিক অন্য রকম সিদ্ধান্ত দেন। তাই এটা নির্দ্বিধায় বলা যায় দার্শনিকরা কেবল অনুমানের উপর সিদ্ধান্ত নেন। তাদের যে যুক্তি প্রক্রিয়া তা তাদের মনগড়া অনুমান ছাড়া আর কিছু নয়। এ সব যুক্তি প্রক্রিয়ার সাথে বাস্তবাতার কোন মিল নাই। ঐসব দার্শনিকরা তাদের যুক্তি প্রক্রিয়া বাস্তবতার থেকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেছে। তাই তারা সত্য থেকে সম্পূর্ণ বিচ্চুত হয়েছে। বাস্তবানুগ যুক্তি গ্রহণ যোগ্য। আর অবাস্তব যুক্তি গ্রহণ যোগ্য নয়। যুক্তি দুই প্রকার বলা যেতে পারে এক- বাস্তব যুক্তি আর দুই অনুমান ও অবাস্তব যুক্তি। অধিকংশ দার্শনিকই বাস্তব যুক্তি গ্রহণ করেন নাই তবে বেশ কিছু দার্শনিক আছে যারা বাস্তব যুক্তি বাদী। এই বাস্তব যুক্তিবাদীদের বদৌলতে গড়ে উঠেছে গণিত শাস্ত্র এবং পদার্থ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা প্রশাখা।

এই আলোচনার বিষয়বস্তু যেহেতু বিজ্ঞান তাই জ্ঞান সস্পর্কে আলোচনায় আসা যাক। মানুষ পর্যবেক্ষণ করে যে জ্ঞান অর্যন করেছে সেই জ্ঞান মানুষের জানা জ্ঞান। আর এই জানা জ্ঞান এমন জ্ঞান যা ততক্ষণ পর্যন্ত সত্য যতক্ষণ পর্যন্ত না তা অধিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ভুল প্রমাণীত না হয়। আর এক প্রকার জ্ঞান যা মানুষ এখনও জানে না। মানুষের পর্যবেক্ষণে ধরা পরেছে যে মানুষ এখনও অনেক কিছু জানে না। এই অজানা জ্ঞান কে বলা হয় অদৃশ্য জ্ঞান বা ইলমুল গাইব বা নলেজ অব আন-সীন। যেমন- সৃষ্টির শেষ কোথায়, ভবিষ্যতে কি ঘটবে, বিজ্ঞানীগণ এখনো যে সব বিষয় আবিষ্কার করতে পারে নাই এমন বিষয়ের জ্ঞান বা মানুষের জানার জন্য প্রশ্নের শেষ নাই অর্থাৎ মানুষ সয়ংসম্পূর্ণ জ্ঞানের অধিকারী নয় বা মানুষ আসীম জ্ঞানের অধিকারী নয়, তাই অসীম জ্ঞান এমন নানা বিধ বহু জ্ঞান। এক কথায় মানুষ যে সম্পর্কে জানে না সেই বিষয়ের জ্ঞান কে ইলমুল গায়েব বা অদৃশ্যের জ্ঞান বলা হয়। অদৃশ্যের জ্ঞান বা মানুষের অজানা বিষয় এর জ্ঞান সম্পর্কে সব মানুষই স্বীকার করে যে মানুষ অনেক কিছু জানে না। সে নাস্তিক হোক বা আস্তিক হোক বা সে যাই হোক সে আন্তরিক ভাবে বিশ্বাস করে যে মানুষ অনেক কিছু জানে না। কারণ সে যদি সব কিছু জানত তাহলে এত বৈজ্ঞানীক গবেষণার কোন প্রয়োজন হত না। তবে ইলমুল গাইব বা অদৃশ্যের জ্ঞান সম্পর্কে ইসলামের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও বহু বক্তব্য আছে তন্মধ্য থেকে কুরআন মাযিদ থেকে ৫১ টি আয়াত নিম্নে উল্লেখ করে তার বিবরণ এক এর এক প্রদান করা হল পরে তার বিশ্লেষণ করা হবে।

আল্লাহত'আলা বলেন- الۤمۤ ﴿١﴾ ذَٰلِكَ ٱلْكِتَٰبُ لَا رَيْبَ فِيهِ هُدًى لِّلْمُتَّقِينَ ﴿٢﴾ ٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِٱلْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ ٱصَّلَٰوةَ وَمِمَّارَزَقْنَٰهُمْ يُنْفِقُونَ ﴿٣﴾ وَٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِمَاۤ أُنْزِلَ إِلَيْكَ وَمَاۤ أُنْزِلَ مِنْ قَبْلِكَ وَبِٱلْأَخِرَةِ هُمْ يُوقِنُونَ ﴿٤﴾ أُولَٰۤئِكَ عَلَٰى هُدًى مِّن رَّبِّهِمْۖ وَأُولَٰۤئِكَ هُمُ ٱلْمُفْلِحُونَ ﴿٥﴾ سُورَةُ الْبَقَرَة – আলিফ লাম– মীম–(১), ইহা এমন এক কিতাব যাহাতে কোনই সন্দেহ নাই। যারা মুত্তাকী (আল্লাহকে ভয় করে নিজেদেরকে পরিশুদ্ধ করে) তাদের জন্য পথে দিশা। (২) যারা বিশ্বাস স্থাপন করে অদৃশ্যের প্রতি এবং সালাত প্রতিষ্ঠা করে এবং আমরা যে জীবিকা দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে (৩) এবং যারা তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসী (৪) উহারাই তাদের রবের পক্ষ থেকে সরল সঠিক পথের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং উহারাই সফল। (৫) [সূরা- বাকারা]

উপরে বর্ণিত আয়াতগুলোর মধ্যে ২য় আয়াত যেখানে বলা হয়েছে "যারা বিশ্বাস স্থাপন করে অদৃশ্যের প্রতি" এখানে অদৃশ্য বলতে- আল্লাহ, তাঁর মালাইকাগণ, তাঁর ওয়াহী, জান্নাত, জাহান্নাম, পরকাল, ভাগ্য সহ ওয়াহীতে বর্ণিত সকল বিষয়। [তাফসীর ইবনে কাসির ও আহাসুনাল বায়ন এ বর্ণিত ব্যাখ্যার সারমর্ম]

ٱللَّهُ لآَإِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُۚ لَاتَأْ خُذُهُۥسِنَةٌوَلَانَوْمٌۚ لَّهُۥمَافِى ٱسَّمَٰوَٰتِ وَمَافِى ٱلْأَرْضِۗ مَن ذَاٱلَّذِى يَشْفَعُ عِنْدَهُۥۤ إِلَّابِإِذْنِهِۦۚ يَعْلَمُ مَابَيْنَ أَيْدِهِمْ وَمَاخَلْفَهُمْۖ وَلَايُحِيطُونَ بِشَىْءٍمِّنْ عِلْمِهِۦۤ إِلَّا بِمَاشَاءَۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَۖ وَلَا يَئُودُهُۥ حِفْظُهُمَاۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ ﴿٢٥٥﴾ سُورَةُ الْبَقَرَة – আল্লাহ চিরঞ্জীব চিরপ্রতিষ্ঠিত তিনি ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নাই। তন্দ্রা ও নিদ্রা কোনকিছুই তাঁকে স্পর্শ করে না। আকাশ ও যমিনে যা কিছু আছে সবই তাঁর। এমন কে আছে যে তার অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? তিনি তাহাদের সম্মুখের (ভিবিষ্যতের) ও পশ্চাতের (অতীতের) সবকিছু জানেন। তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা (মানুষ বা সৃষ্টির মধ্য থেকে কেহ) তাদের জ্ঞানের আবেষ্ঠনিতে আনতে পারে না, হাঁ যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। তাঁর আসন আকাশ ও পৃথিবীময় পরিব্যপ্ত। ইহাদের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি মহান ও শ্রেষ্ঠ। [সূরা বাকারা- ২৫৫]

এখানে সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াতে অদৃশ্য আল্লাহ তাঁর নিজের সম্পর্কে ও তাঁর জ্ঞান ও ক্ষমতার কিছু বিবরণ, এবং মানুষের জ্ঞান ও ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন।

قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ﴿٢﴾ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا ٱحَدٌ ﴿٤﴾ سُورَةُ الْإِخْلَاصِ বল, আল্লাহ এক। (১) আল্লাহ সয়ংসম্পূর্ণ বা অভাব শূন্য- তাঁর কোন কিছুর প্রয়োজন হয় না। (২) তাঁকে কেহ জন্ম দেয় নাই, তিনিও কাহাকেও জন্ম দেন নাই। (৩) তাঁর মত কেহ নাই অর্থাৎ তিনি অতুলনীয় অর্থাৎ এমন কিছু নাই যার সাথে তাঁকে তুলনা করা যায়। (৪) [সূরা ইখলাস]

এই সূরার ৪ টি আয়াতে অদৃশ্য আল্লাহর সত্তাগত অবস্থার বিবরণ দেয়া হয়েছে। তাই এই সূরার গুরুত্ব বেশ তাৎপর্য পূর্ণ।

قُلْ إِنْ تُخْفُوا مَافِى صُدُورِكُمْ أَوْ تُبْدُوهُ يَعْلَمْهُ ٱللهُ ؕ وَيَعْلَمُ مَافِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ؕ وَٱللهُ عَلَٰى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ ﴿٢٩﴾ سُورَةُ آلِ عِمْرَانَ বল, 'তোমাদের অন্তরে যাহা আছে তাহা যদি তোমরা গোপন অথবা ব্যক্ত কর আল্লাহ উহা অবগত আছেন এবং আসমান ও যমীনে যাহা কিছু আছে তাহাও তিনি অবগত আছেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।' (২৯) [সূরা আলে ইমারন]

অদৃশ্য আল্লাহ মানুষের অন্তরে যা আছে সে যদি তা গোপন করে বা প্রকাশ করে তা জানেন, আকাশ ও পৃথিবীর সমস্ত কিছুই তিনার জ্ঞানের আওতায়। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

قَالَ يَٰٓـَٔادَمُ أَنۢبِئْهُم بِأَسْمَآئِهِمْۖ فَلَمَّآ أَنۢبَأَهُم بِأَسْمَآئِهِمْ قَالَ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ إِنِّىٓ أَعْلَمُ غَيْبَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَأَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا كُنتُمْ تَكْتُمُونَ ﴿٣٣﴾ سُورَةُ ٱلْبَقَرَةٌ তিনি বললেন, 'হে আদম! তাহাদিগকে এই সকলের নাম বলিয়া দাও।' আদম ঐ সকলের নাম বলিয়া দিল। তিনি (আল্লাহ) বলিলেন, 'আমি কি তোমাদিগকে বলি নাই যে, আকাশ মণ্ডল ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে আমি নিশ্চিত অবহিত এবং তোমরা যা ব্যক্ত কর বা গোপন রাখ আমি তাহাও জানি?' (৩৩) [সূরা বাকারা]

অদৃশ্য আল্লাহ, সমস্ত আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে জানেন, তোমরা যা অন্তরে রাখ তা গোপন করলেও তা তিনি জানেন ব্যাক্ত করলেও তা তিনি জানেন।

ذَٰلِكَ مِنْ أَنۢبَآءِ ٱلْغَيْبِ نُوحِيهِ إِلَيْكَۚ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يُلْقُونَ أَقْلَٰمَهُمْ أَيُّهُمْ يَكْفُلُ مَرْيَمَ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يَخْتَصِمُونَ ﴿٤٤﴾ سُورَةُ آلِ عِمْرَانَ ইহা অদৃশ্য বিষয়ের সংবাদ – যাহা তোমাকে ঐশী বাণী দ্বারা অবহিত করতেছি। মার্‌য়ামের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব তাহাদের মধ্যে কে গ্রহণ করবে ইহার জন্য যখন তারা তাদের কলম নিক্ষেপ করছিল তুমি তখন তাদের নিকট ছিলে না। এবং তারা যখন বাদানুবাদ করছিল তখনও তুমি তাদের নিকট ছিলে না। (৪৪) [সূরা আলে ইমরান]

মানুষের বিস্মৃত ইতিহাসের উল্লেখ করে অদৃশ্য আল্লাহ বলেন, এই ওয়াহী যা অদৃশ্য বিষয়ের সংবাদ- মানুষের ভুলে যাওয়া বিষয়কে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রসূল (সাঃ) কে অবহিত করা হল, তা অদৃশ্য প্রক্রিয়া।

مَّا كَانَ ٱللَّهُ لِيَذَرَ ٱلْمُؤْمِنِينَ عَلَىٰ مَآ أَنتُمْ عَلَيْهِ حَتَّىٰ يَمِيزَ ٱلْخَبِيثَ مِنَ ٱلطَّيِّبِۗ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُطْلِعَكُمْ عَلَى ٱلْغَيْبِ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ يَجْتَبِى مِن رُّسُلِهِۦ مَن يَشَآءُۖ فَـَٔامِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦۚ وَإِن تُؤْمِنُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ فَلَكُمْ أَجْرٌ عَظِيمٌ ﴿١٧٩﴾ سُورَةُ آلِ عِمْرَانَ অসৎকে সৎ হইতে পৃথক না করা পর্যন্ত তোমরা যে অবস্থায় রহিয়াছ আল্লাহ মু'মিনগণকে সেই অবস্থায় ছাড়িয়া দিতে পারেন না। আল্লাহ এমন নন যে তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে পাঠ করবেন বরং আল্লাহ তাঁর রসূলগণের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আন। তোমরা ঈমান আনিলে ও তাকওয়া অবলম্বন করিয়া চলিলে তোমাদের জন্য মহা পুরস্কার রহিয়াছে। [সূর আলে ইমরান- ১৭৯]

আল্লাহতা'আলা মুমিনদেরকে কাফিরদের বিরুদ্ধে যে সাহায্য করেন তাও অদৃশ্য এবং এই অদৃশ্যের বিষয় বা কৌশল তিনি কখনো প্রকাশ করেন না।

পরবর্তি পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন – আরও

Learn Arabic

اثبات فعل ماضى مطلق معروف
হাঁ-বাচক কর্তৃবাচ্য সাধারণ অতীতকালীন ক্রিয়া

সংজ্ঞাঃ যে فعل দ্বারা সাধারণভাবে অতীতকালে কোন কাজ করা বা হওয়া বুঝায় তাকে ماضى مطلق বলে। উদাহরণ – فَعَلَ – সে করল, ذَهَبَ – সে গেল, سَمِعَ – সে শ্রবণ করল ইত্যাদি।
গঠন প্রণালীঃ مضدر বা ক্রিয়ামূল হতে ماضى مطلق গঠিত হয়। ثُلَاثِى বা তিন অক্ষর বিশিষ্ট مصدر এর ف কালিমায় فتحه বা যবর এবং ع কালিমায় باب অনুযায়ী ضمة (পেশ)অথবা فتحه (যবর)অথবা كسر (যের) দিয়া ل কালিমায় فتحه দিলে ماضى مطلق معرف গঠিত হবে।
সকল প্রকার ক্রিয়াকে আরবীতে فعل বলে। فعل শব্দের অন্তর্গত ف ع ل এই তিনটি আক্ষরকে فعل এর মূল মাপকঠি হিসাবে মনে করা হয়, তাই যে কোন فعل এর মূল অক্ষরগুলোর প্রথমটিকে ف কলিমা, মধ্যেরটিকে ع কলিমা এবং শেষেরটি কে ل কালিমা বলা হয়।

অনুশীলনঃ আরবী ক্রিয়া حَمِدَ এর তাসরীফ অনূশীলন কর-

اثبات فعل ماضى مطلق معروف এর ওজন প্রতি সীগাতে কিভাবে রূপান্তরীত হচ্ছে তা নিম্নের ছকে অনুশীলন কর-

আরবী ক্রিয়া كَتَبَ এর اثبات فعل ماضى مطلق معروف এ তাসরীফ অনুশীলন কর-

আরবী ভাষা সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ার জন্য ক্লিক করুন

Shohi Bukhari Salat

ইনশা আল্লাহ ইসলামী ফান্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক অনুবাদকৃত সহীহ বুখারীর ২য় খণ্ড থেকে ধারাবাহীক ভাবে হাদীস গুলো পেশ করা হবে।

351. بَابُ مَوَاقِيْتِ الصَّلَاةِ وَفَضْلِهَا
৩৫১. অনুচ্ছেদঃ সালাতের সময় ও তার ফযীলত।

وَقَوْلُهُ : اِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ كِتَابًا مَوْقُوْتًا – وَقَّتَهُ عَلَيْهِمْ

আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ "নিশ্চয়ই সালাত মু'মিনদের উপর নির্ধারিত সময়ে ফরয।" আয়াতে ব্যবহৃত 'মাওকূতান' (مَوقُوتًا ) শব্দটি 'মুয়াক্কাতান' (مُؤَقَّتًا) এর অর্থে ব্যবহৃত, অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ে ফরয- যা আল্লাহ তা'আলা তাদের জন্য নির্ধরিত করে দিয়েছেন।

বিস্তারিত পড়ার জন্য ক্লিক করুন

I am here,

Please click on [comment] in above line to see/write comment ↑

Oh my brothers and sisters!

Assalamualikum wa Rahmatullahi wa Barakatuhu

What about I write? It is necessary to correspond with each other. But I am not strong in English language. This web site is for conveying the correct Islamic belief, thought, rules, and regulation to other person who does not know about it. I write here in Bangla language but I see that most of the viewer and commenter of these pages are English speakers. They put here their comment but I have doubt they cannot read the Bangla writing here in the pages. It is hard for me to translate all writing correctly in English language. So I welcome the Bangla speaking Brothers those are very strong in English to translate pages Usuluddin, Basic Three principle (of Islam) and Kitabut Tawhid in to English.

 

18-11-2015

Today, I have seen 16 comments among them 14 comments are selected as spam comment by system. Please write comment avoiding website link and write your original name and email address. Do not write any link in your text.

N.B. Please write comment with your correct name, email address and not use any link in your text or other place. To write comment please click on above beginning of the page "Comment" link.

Muhammad Shamsul Alam

Assalamualikum,

Assalamualikum,

দাওয়াহ ও তাবলীগ

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَانِ الرَّحِيْمِ

اَلْحَمْدُ لِلهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ – الرَّحْمَانِ الرَّحِيْمِ – مَالِكِ يَوْمِ الدِّيْنِ – اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَاِيَّاكَ نَسْتَعِيْنُ – اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيْمَ – صِرَاطَ الَّذِيْنَ اَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ – غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ –

পরম করুণাময় অতিশয় দয়ালু আল্লাহর নামে

সকল প্রশংসা একমাত্র জগৎ সমূহের রব আল্লাহর জন্য। পরম করুণাময় অতিশয় দয়ালু। প্রতিফল দিবসের অধিপতি। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য চাই। আমাদেরকে সরল সঠিক পথ দেখাও। তাদের পথে যাদেরকে আপনি অনুগ্রহ করলেন। তাদের পথে নয় যাদের প্রতি আপনি ক্রোধান্নিত এবং যাহারা আতিশয় পথভ্রষ্ট।

اَلْحَمْدُ لِلهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَعْفِرْهُ وَنُؤْمِنُ بِهِى وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْهِ وَنَعُوذُ بِاللهِ مِنْ شُرُورِ اَنْفُسِنَا وَ مِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَلِنَا – مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُّضْلِلْهُ فَلَا هَادِىَ لَهُ وَ نَشْهَدُ أَن لَّاإِلَه إِللهُ وَحْدَه لَا شَرِيْكَ لَهُ وَنَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُه أَرْسَلَهُ بِالْحَقِّ بَشِيْرًا وَّنَذِيْرًا – فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيْثِ كِتَابُ اللهِ وَ خَيْرَ الْهَدْىِ هَدْىُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَشَرَّالْأُمُرِ مُحْدَثَاتُهَا وَ كُلَّ مُحْدَثَتٍ بِدْعَةٌ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ وَ كُلَّ ضَلَالَةٍ فِى النَّرِ-

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করছি, তাঁরই কাছে সাহায্য চাচ্ছি, তাঁরই উপর ঈমান আনছি, তাঁরই উপর নির্ভর করছি এবং আমাদের অন্তরের কুমন্ত্রণা ও আমাদের দুষ্কর্ম থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ তুমি যাকে পথ দেখাও সে পথভ্রষ্ট হয় না এবং তুমি যাকে পথভ্রষ্ট কর সে পথ পায় না। আমরা স্বাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই, তিনি একক, তাঁর কোন অংশি নাই, আমরা আর‌ও স্বাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর দাস এবং রসূল (বার্তাবাহক)। তাকে তিনি সত্য সহ সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শনকারী রূপে পাঠিয়েছেন। আল্লাহর কিতাবের কথাই সবচেয়ে উত্তম, সবচেয়ে উত্তম পথ প্রদর্শন হচ্ছে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আ'লইহি ওয়া সাল্লাম এর, সবচেয়ে ক্ষতিকর হচ্ছে নতুন কথা, সকল নতুন কথাই উদ্ভাবিত (বিদআ'ত) কথা, সকল উদ্ভাবিত (বিদআ'ত) কথাই ভ্রষ্টতা আর সকল ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নম।

أَمَّا بَعَدُ – أَعُوذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ – بِسْمِ اللهِ الرّمَنِ الرَّحِيْمِ – اِقْرَا بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِىْ خَلَقَ – خَلَقَ الْاِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ – اِقْرَا وَرَبُّكَ الْاَكْرَمُ – الَّذِىْ عَلَّمَ بِالْقَلَمِ – عَلَّمَ الْاِنْسَانَ مَالَمْ يَعْلَمْ –

অতঃপর, অভিশপ্ত শয়তান থেকে আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। পরম করুণাময় অতিশয় দায়লু আল্লাহর নামে। আল্লাহ তাআলা মানব ও দানবের জন্য যে প্রথম বাক্য তাঁর বান্দা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর উপর নাযিল করেন তা হচ্ছে পড়া এবং শিক্ষার কথা। উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ বালেন –

"আপনি পড়ুন আপনার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। মানুষকে সৃষ্টি করেছেন আলাক থেকে। পড় অত্যন্ত সম্মানিত তোমার রবের নামে। যিনি কলমের সাহয্যে শিক্ষা দান করেন। মানুষকে এমন বিষয় শিক্ষা দান করেন যে বিষয়ে সে কিছু জানত না।"

আল্লাহই সব চেয়ে বড় শিক্ষক। তিনি তাঁর মনোনীত বান্দা তাঁর রসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলইহে ওয়া সাল্লাম এর মাধ্যমে মানব ও জ্বীনকে শিক্ষা দিয়াছেন। তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলইহে ওয়া সাল্লাম কে মানব ও জ্বীনদের জন্য শিক্ষক বানিয়েছেন। তাই মানব ও জ্বীনদের একমাত্র শিক্ষক আল্লাহর নবী ও রসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলইহে ওয়া সাল্লাম। তাঁর শিক্ষাই আমাদের কে গ্রহণ করতে হবে। তিনি মানব ও জ্বীনদের জন্য উত্তম আদর্শ। তাঁরই আদর্শে আমাদেরকে আদর্শবান হতে হবে। তাই আমরা অন্য কাহাকেও মূল শিক্ষক এবং মূল আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করব না। আমরা যদি কোন কিছু না জানি তবে আমরা কোন কিছুই সঠিক ভাবে করতে পারব না। তাই প্রথমে আমাদেরকে সঠিক বিষয় জানতে হবে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষা এবং জানা ছাড়া কোন কাজই সঠিক হয় না। সেই উদ্যেশ্য নিয়ে দাওয়াহ ও তাবলীগ কাজ করে যাচ্ছে। আল্লাহ আমাদের সহায় হউন। আমীন।